মা'য়ের জন্য ফুল
ফুলের দোকানের সামনে এসে একজন ভদ্রলোক তার গাড়ি থামালেন।
উদ্দেশ্য তার মা’য়ের জন্য কিছু ফুল কিনবেন। যিনি এখান থেকে প্রায় দু’শ মাইল
দূ্রে বাস করেন। গাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়, তিনি লক্ষ করলেন, দোকানের
পাশে, পায়ে হাটার পাকা রাস্তার কিনারে মনখারাপ করে একটি ছোট্ট বালিকা বসে আছে।
ভদ্রলোক তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “কি গো, তুমি এভাবে মন খারাপ করে
বসে আছো কেনো?”
বালিকা বললো, ” আমার মা’য়ের জন্য একটি ফুল কিনতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমার কাছে শুধু ৭৫ সেন্ট আছে; এবং একটি ফুলের দাম দুই ডলার।”
উদ্দেশ্য তার মা’য়ের জন্য কিছু ফুল কিনবেন। যিনি এখান থেকে প্রায় দু’শ মাইল
দূ্রে বাস করেন। গাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়, তিনি লক্ষ করলেন, দোকানের
পাশে, পায়ে হাটার পাকা রাস্তার কিনারে মনখারাপ করে একটি ছোট্ট বালিকা বসে আছে।
ভদ্রলোক তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “কি গো, তুমি এভাবে মন খারাপ করে
বসে আছো কেনো?”
বালিকা বললো, ” আমার মা’য়ের জন্য একটি ফুল কিনতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমার কাছে শুধু ৭৫ সেন্ট আছে; এবং একটি ফুলের দাম দুই ডলার।”
লোকটি মুচকি হেসে বললেন, “এসো আমার সাথে দোকানে।আমি তোমাকে
একটি ফুল কিনে দেব।”
তিনি ছোট্ট বালিকাটির জন্য একটি ফুল কিনলেন। এবং নিজের মা’য়ের
জন্যও ফুল দেয়ার অর্ডার করলেন। যখন দেখলেন, বালিকাটি চলে যাচ্ছে, তিনি
বালিকাকে বললেন, “চলো, তোমাকে তোমাদের বাড়ি পৌঁছে দেই।”
একটি ফুল কিনে দেব।”
তিনি ছোট্ট বালিকাটির জন্য একটি ফুল কিনলেন। এবং নিজের মা’য়ের
জন্যও ফুল দেয়ার অর্ডার করলেন। যখন দেখলেন, বালিকাটি চলে যাচ্ছে, তিনি
বালিকাকে বললেন, “চলো, তোমাকে তোমাদের বাড়ি পৌঁছে দেই।”
“হ্যা, দয়া করে আমার মা’য়ের কাছে আমাকে পৌঁছে দিন।” বালিকা বললো।
সে তাকে রাস্তা দেখিয়ে একটি কবরস্থানের দিকে নিয়ে গেলো। নতুন একটি কবরের উপর সে ফুলটি রাখলো।
সে তাকে রাস্তা দেখিয়ে একটি কবরস্থানের দিকে নিয়ে গেলো। নতুন একটি কবরের উপর সে ফুলটি রাখলো।
মানুষটি ফুলের দোকানে আবার ফিরে এলেন, একটি ফুলের তোড়া উঠালেন
এবং দু’শ মাইল দূরে ড্রাইভ করে তার মা’য়ের বাড়ি চলে এলেন।
এবং দু’শ মাইল দূরে ড্রাইভ করে তার মা’য়ের বাড়ি চলে এলেন।
শিক্ষাঃ জীবন খুব ছোট। যিনি তোমাকে ভালোবাসে্ন এবং যত্ন নেন, তার জন্য যতটুকু সময় দেয়া তোমার পক্ষে সম্ভব, তার সাথেই সময়টা কাটিয়ে দাও।
—————–
অনূদিত
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।


এই সদস্যের ভবিষ্যত সব পোস্ট মডারেট করুন
শুভেচ্ছা জানবেন।
এই সদস্যের ভবিষ্যত সব পোস্ট মডারেট করুন
শুভকামনা
এই সদস্যের ভবিষ্যত সব পোস্ট মডারেট করুন
শুভেচ্ছা জানবেন।
এই সদস্যের ভবিষ্যত সব পোস্ট মডারেট করুন
স্বাধীনভাবে মতামত প্রদানের অনুমতি দিন
শুভেচ্ছা জানবেন।
এই সদস্যের ভবিষ্যত সব পোস্ট মডারেট করুন
স্বাধীনভাবে মতামত প্রদানের অনুমতি দিন
এই সদস্যের ভবিষ্যত সব পোস্ট মডারেট করুন
এই সদস্যের ভবিষ্যত সব পোস্ট মডারেট করুন
এই সদস্যের ভবিষ্যত সব পোস্ট মডারেট করুন